Friday, November 18, 2016

প্রেমবিলাসী

প্রেমবিলাসী
_______অনিক(বসন্তের কবি)
_______________________
গত তিনমাস যাবত মেয়েটিকে এই
বাসস্টান্ডে দেখা যায় ঠিক যেন সকাল ৮টা
থেকে ৮টা ১৫ মিনিটের মধ্যে।অসম্ভব সুন্দর
মেয়েটি যার সম্পর্কে বিবরন দেবার মত
কোন ভাষা হয়তো সৃষ্টি করেনি ঐ
সৃষ্টিকর্তা।তবে এতটুকু মনে হয় মেয়েটি ঠিক
যেন সকালে বাগানের ফুটন্ত একটি
গোলাপ,যার সুবাস ভ্রমর আসতে বাধ্য।
প্রয়োজন ছাড়া হয়তো এত সকালে কখনো
বাহিরে বের হওয়া পড়েনা আমার কিন্তু
ইদানিং এত সকালেই আমি বের হচ্ছি
উদ্দ্যেশহীন বাসস্টান্ডে। যথারীতি
মেয়েটিকে আজও ঠিক সময়েই পাওয়া যায়
তবে ভিন্ন রূপে।গত তিন মাস যাবত
মেয়েটিকে একরুপে দেখলেও আজ দেখাটা
পুরোই ভিন্ন।নীল রঙ্গের একটি শাড়ি জড়িয়ে
আছে মেয়েটির শরীরে, শাঁড়ি পরিধানে
কাউকে ভাললাগা এটাই হয়তো আমার প্রথম।
আজ কেমন জানি বার বার মেয়েটির সাথে
কথা বলতে ইচ্ছে করতেছে। একটু সাহস করে
মেয়েটির কাছে গিয়ে _______
আমি- পিছন থেকে Hello
মেয়েটি-আমার দিকে তাকিয়ে "জি আমি"
আমি-হ্যা
মেয়েটি -বলেন
আমি-কিছু মনে না করলে আপনার নামটি
জানতে পারি।
মেয়েটি-আমতা আমতা করে জি "তাঁছলিমা"
ততক্ষনে বাস চলে আসায় মেয়েটি চলে যায়।
আমিও খুশি মনে বাসায় চলে আসি।ঐ দিন
সারাটা রাত চোখের ঘুম লুকোচুরি খেলে
আমার সাথে।সকালের অপেক্ষা করতে করতে
এক সময় স্বপ্নের সকাল চলে আসে, ভাবনা
একটাই মেয়েটিকে আজ মনের কথা বলতেই
হবে।উদ্দ্যেশনিহীত বাসস্টান্ডে পথে আমি,
দূর থেকেই দেখা গেল স্বপ্নকুমারি
তাছলিমাকে,গোলাপি ড্রেসে দাঁড়িয়ে
আছে মনে হচ্ছে আমার জন্যই অপেক্ষা
করছে কিন্তু না অপেক্ষা করছে বাসের জন্য।
কাছে গিয়েই______
আমি-হায় কেমন আছেন
মেয়ে-জি ভাল, কিছু বলবেন
আমি-আসলে গতকাল একটা কথা বাকি ছিল
শেষ করতে পারিনি।
মেয়ে-জি আজ তাইলে শেষ করুন।
আমি-আসলে আমি কিছুটা লাজুক,যে কারনে
গত তিন মাস শুধু আপনাকে দেখেই গেছে দূর
থেকে।
মেয়ে-হুম যানি তো, ব্যাপারটা আমিও
খেয়াল করছি, তো আর কিছু।
আমি-চোখ বন্ধ করে "আমি আপনাকে
ভালবাসি"
মেয়ে-মানে
আমি-জি ভালবাসি
মেয়ে-চুপচাপ দাঁড়িয়ে কিছুক্ষন পর বললেন,
আপনি কি করেন,আচ্ছা আপনার মানিব্যাগটা
দেন তো দেখি।
আমি-কিছুনা বেকার,আর মানিব্যাগ মানে
কি করবেন।
মেয়ে-বেকার তো প্রেম করতে আসছেন কেন,
দেখি মানিব্যাগে কত টাকা আছে।।।।
জোরপূর্বক মেয়েটি আমার মানিব্যাগটা
দেখে এবং বিশ টাকার দুটি নোট দেখে
আমার উদ্দ্যেশে বলে _______
মেয়ে- দেখেন আমার রূপে আপনারমত বহু
প্রেমিক ঘুরতেছে।কিন্তু আমার প্রেমিক হতে
হলে তাকে কোটিপতি হতে হবে মিঃ।
বাস চলে আসে অতঃপর মেয়েটি চলে যায়।
বেদনার বড় একটা পথ পাঁড়ি দিয়ে অতঃপর
বাসায় আসি।তারপর থেকে কখনোই ঐ
স্বপ্নের বাসস্টান্ডের ধুলি আমার পায়ে
স্পর্শ করেনি।
ততদিনে আমার ডক্টরি পড়া প্রায় শেষের
দিকে পরিক্ষা দিলাম ভাল রেজাল্ট
করলাম।ডক্টরি পড়া শেষে একটা ডক্টরি
স্কলারশিপের জন্য এক বছরের জন্য
অস্ট্রেলিয়া যাই।বছর শেষে দেশে ফিরেই
ঢাকা পঙ্গু হসপিটালে সহকারি অধ্যাপক
হিসেবে জয়েন করি।
বেশ ভালই যাচ্ছিল আমার ডক্টরি জিবন।
ডক্টরি জীবনের দেড় মাসের মাথায় এক
অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটে আমার সাথে যা কখনোই
কল্পনা করিনি।
সেদিন ছিল রবিবার যথাসময়ে হসপিটালে
পৌছাই আমি।সকাল ১১টার দিকে শেখ
ফজিলাতুন নিসা মেডিকেলের এক ডক্টরের
রেফারেন্সে আমার হসপিটালে একটি রোগী
আসে।সাধারন চেকআপের জন্য আমি
ড্রেসিং রুমে যাই, কিন্তু গিয়ে দেখি
অদ্ভুতকান্ড,হুইলচেয়ারে বসে আছে একটি
মেয়ে, মেয়েটি আর কেউ না আমার স্বপ্নের
বাসস্টান্ডের সেই মেয়েটি স্বপ্নকুমারী
তাছলিমা। ততক্ষনে বুঝতে বাকি নেই রোগী
কে।হতভম্ভ হয়ে বসে পড়লাম।
অবশেষে স্বপ্নকুমারী তাছলিমার কাছে সব
ঘটনা শুনলাম।।।।।।।
আমি সম্ভবত যখন স্কলারশীপের জন্য
অস্ট্রেলিয়া ছিলাম তখন তাছলিমা এক বাস
দূর্ঘটনায় তার দুটি পা হারায়।।।।।।।।।।।।।।
.
সারসংক্ষেপ -- গল্পটি অবাস্তব,লেখকের
চিন্তধারায় উপস্থাপন করা হয়েছে।তবে
গল্পের কিছু কিছু চরিত্র বাস্তবতার সাথেই
আনা হয়েছে।তবে এটা সচেতনতার জন্য
উপস্থাপন করা হয়েছে

"মতি পাগলা"

"মতি পাগলা"


ছেলেটার দিকে তাকিয়ে ক্লাসের সবাই হাসছে। মাথা নিচু করে কানে ধরে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটার নাম মতি। গরীব ঘরের সন্তান। ক্লাস ফাইভের ছাত্র। বিশেষ বিবেচনায় পাস করেছে।
একটা সময় এই মতিই ছিলো ক্লাসের সবথেকে ভালো ছাত্র। কিন্তু এখন আর পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ নেই।
ছেলেটা লেখতে ভালোবাসে। চোখের সমানে ঘটা উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোকে একটা কাগজে বন্দী করতে রাখতে ভালোবাসে ছেলেটা। কিন্তু স্কুলের সহপাঠীদের কাছে মতি বরাবরই একটা হাসির পাত্র। ছেলেটাকে অনেকে আবার পাগল বলেও ডাকে। কয়েকজন শিক্ষক মতিকে মতি পাগলা বলেও ডাকে।

ছেলেটার স্কুল জীবনটা এমনই। প্রতিদিন ক্লাসে মতিকে কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। প্রতিদিনই স্কুলে বকা শুনতে হয়। সবাই ছেলেটাকে নিয়ে হাসে। কারণ একটাই, মতি স্কুলের পড়া শিখে আসে না। পরীক্ষার খাতায় বইয়ের পড়া ছাড়া চোখের সামনে ভেসে উঠা বাস্তবতাকে লেখে আসে। রেজাল্টও আসে শূন্য। মাঝে মধ্যে শিক্ষকেরা ১-২ নম্বর দেন। কিন্তু এর পেছনের কারণটাও কারোও জানা নেই। হয়তো লেখাগুলো ভালো লাগে।
মতির পরিবার এবং স্কুলের শিক্ষক,ছাত্রসহ সবার কাছে মতি একটা পাগলের নাম। সবাই মতির প্রতিভা নিয়ে হাসে। অনেকে আবার সুযোগ পেলে ছেলেটার গায়ে হাতও তুলে। আজ যদি মতি স্কুলের পড়াটা নিয়মিত শিখে আসতো তবে সবার চোখে মতি একটা ভদ্র ছেলের নাম হতো। স্কুলের সবাই আর মতির পরিবারের কাছে মতির প্রতিভার কোন মূল্য নেই। মূল্য আছে মুখস্থ বিদ্যার। প্রায়ই স্কুলে ডেকে নিয়ে মতির মা'কে অনেক কথা শোনানো হয়। ছেলেটাকে পড়াশোনা করিয়ে লাভ হবে না বলে তাচ্ছিল্য করে অনেক শিক্ষকই। আর মতির পরিবার এই ছেলেটার উপর অত্যাচার করে।


কোন রকমে পাস করতে করতে মতিটা আজ ক্লাস টেনে। মতি আগের মতোই রয়ে গেল। পরীক্ষার খাতায় এখনও অনেক কিছুই লেখে আসে। স্কুলের সবার কাছে আজও মতির নাম মতি পাগলা। মতি পাগলা বলেই অনেকে জানে। পরিবার এখনও মতিকে অত্যাচার করে। কিন্তু এখন আর কষ্ট লাগে না। সহ্য হয়ে গেছে।
মতি মনে মনে ঠিক করলো আর পড়াশোনা করবে না। শুধু লেখবে। দিনে-রাতে লেখবে। যা ইচ্ছে লেখবে। কিন্তু পরিবারের ভয়ে সাহস পাচ্ছে না। সামনেই পরীক্ষা। কি করবে ভাবতেছে।
রাতেই মতি তার মাকে বলে দিলো সামনের পরীক্ষায় মতি আর অংশগ্রহণ করছে না। মতির মা প্রথমে কথাটার তেমন গুরুত্ব দেন নি। কিন্তু মতি একই কথা বারবার বলে যাচ্ছে। তারপর সোজাসুজিই বলে দিলো আর পড়াশোনা করবে না।

কথাটা শুনে মতির মা-বাবা রেগে আগুন। ছেলেটাকে মারধর করে বাড়ি থেকে রাতেই বের করে দিলেন। মতিটাও কাঁদতে কাঁদতে একটা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে বেড়িয়ে পড়ল। মাত্র একটা ব্যাগই এখন তার সম্বল। ব্যাগে একটা খাতা,একটা কলম আর কয়েকটা কাপড়। মতি ঠিক করলো আর কোনদিন বাড়িতে ফিরে যাবে না। যে বাড়িতে তার জীবনের চেয়েও পড়ালেখার মূল্য বেশি ঐ বাড়িতে সে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে না। একদিন প্রমাণ করবে পড়ালেখা থেকেও নিজের ভালো লাগা বা ইচ্ছেটা বড়, এমন জেদ করলো মতি। শীতের রাতটা হাঁটতে হাঁটতেই কাটিয়ে দিলো। সকাল সকাল একটা চাকরির খোঁজ করতে লাগলো। গ্রামের বাজারের একটা চায়ের স্টলে চাকরি হলো মতির। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করতে হবে। থাকা,খাওয়া ফ্রি। বেতনটাও বেশি না। কোন রকমে চলে যাবে। মাস শেষে দুটো খাতা এবং তিন বা চারটা কলম কিনতে পারলেই তার চলে।
মতির সহপাঠী যারা ছিলো তারা এখনও মতিকে নিয়ে হাসে। একটা চায়ের দোকানের চাকর বলে লজ্জা দেয়। কিন্তু মতিটা একটুও রাগ করে না। হাসি মুখেই সবকিছু মেনে নেয়। মতির মা-বাবা ছেলেটার খোঁজ করে প্রায়ই কিন্তু মতি জানিয়ে দিয়েছে সে আর বাড়িতে ফিরবে না। আর লেখাপড়াও করবে না।
সারাদিন কাজ করে সন্ধ্যার পর লেখতে বসে পাগলটা। সারাদিন যা যা করেছে বা যা চিন্তা করছে সেইসব নিয়ে লেখতে বসে। আর প্রত্যেকটা লেখা শেষ করে একা একাই জোরে শব্দ করে পড়তে থাকে। এটাই মতির জীবন। লেখতে ভালোবাসে বলে ছেলেটা আজ একা। কেউ নেই পাশে দাঁড়াবার। সবাই মতিকে নিয়ে হাসে। সবাই মতির লেখালেখি নিয়ে লজ্জা দেয়। তারপরও ছেলেটা থেমে নেই। চালিয়ে যায় তার লেখা।
মতি তার একটা লেখা পত্রিকায় প্রকাশ করার জন্য আবেদন করে। কিন্তু এখানে সবাই মতিকে নিয়ে হাসছে। কাজ করে জমানো কিছু টাকা দিয়ে পত্রিকায় মতির একটা লেখা প্রকাশ করে। কিন্তু মতির লেখাটা পড়ে সবাই অবাক। স্কুলের সহপাঠী যারা একদিন মতিকে নিয়ে হাসতো তারাই মতির লেখা পড়ে অবাক হয়ে গেল। এই ছেলেটার দ্বারা এমন লেখা কিভাবে সম্ভব। মতির বাবা-মায়ের কাছেও খবর পৌঁছে গেল। কিন্তু তারা খবরটা কানে জায়গা দিলেন না। তাদের কাছে এখন টাকাই সব। পত্রিকায় লেখা প্রকাশ হলে কি হবে।
মতির লেখাটা প্রকাশ হওয়ার পর অনেক সাড়া পায়। ঐ দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকরা মতিকে জানিয়ে দেন আগামীতে মতির কোন লেখা প্রকাশ করতে আর টাকা লাগবে না। তারা ফ্রি-তেই প্রকাশ করবে।
এভাবেই মতির পথচলাটা শুরু হয়। একজন-দুজন করে মতি পাগলটার আজ অনেক অনেক ফ্যান। সারাদেশের মানুষ সারা সপ্তাহ অপেক্ষায় থাকে মতির নতুন লেখা পড়বে বলে। সপ্তাহে একদিন মতির একটা লেখা প্রকাশ হয়। এভাবেই একজন লেখক হিসেবে মতির আত্মপ্রকাশ।

মতির পাশে এগিয়ে আসে কয়েকটা সংগঠন। তারা নিজের পকেটের টাকা দিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় মতির লেখা একটা বই প্রকাশ করবে। মতি একটা সংগঠন এর সাথে কথা বলে সবকিছু ঠিক করে। চায়ের দোকানে আর কাজ করতে হয় না। এই সংগঠন থেকেই মতিকে মাস শেষে কিছু টাকা দেওয়া হয়।

একদিন চায়ের দোকানে কাজ করা মতি পাগলাটা আজ দেশ সেরা লেখকদের একজন। নিজের প্রকাশিত কয়েকটা বই দিয়ে লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। একদিন যারা মতিকে নিয়ে হেসেছিল সবাই আজ মতির বই পড়ে রাত কাটায়। মতির বাবা-মাও নিজের ভুলটা বুঝতে পেরেছেন। ফিরে এসেছেন নিজের ছেলের কাছে। মতির পরিবার আজ গর্ব করে বলতে পারে তাদের ছেলেটা একজন বড় মাপের লেখক। ঐদিন যদি মতিটা বাড়ি ছেড়ে বেড়িয়ে না আসতো তবে হয়তো মতির এত দূরে আসা সম্ভব হতো না। নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতো বইয়ের পাতায়ই। দিতে হতো পরীক্ষা,যেখানে মুখস্থ বিদ্যাটাকেই প্রতিভা বলে চালিয়ে দেওয়া হয়।

মতি পাগলাটা আবারও প্রমাণ করলো প্রতিভাটাই আসল। জীবনটা এমন না যে বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ করে রাখবে। প্রতিভা নিয়ে যুদ্ধ করে যাও জয়টা তোমারই হবে।

জীবনের প্রথম প্রপোজ করার সময় যেই fill হয়। তা জীবনে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মনে থাকে

জীবনের প্রথম প্রপোজ করার সময় যেই fill হয়।
তা জীবনে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মনে থাকে।কিন্তু এমন
কেউ কি আছে যে প্রপোজের সময় চোখে চোখ 
রাখতে পারে 😂 😃

→ টুনটুনি বউ😜

→ টুনটুনি বউ😜
..
--- আজ এতো সাজুগুজু, ব্যপার কি?😱
--- তোমার সাথে বের হয়েছি একটু সাজুগুজু না করলে কি হয়?😊
--- আমিতো সাজুগুজু করে আসতে বলিনি।
--- তারপরও লোকে দেখলে কি বলবে?
--- লোকের কথায় কি আসে যায়?
--- বকা দিচ্ছো?😮
--- না না ম্যাম আপনাকে বকা দেয়ার সাহস আবার আমার কবে হলো?
--- হয়েছে হয়েছে আর গ্যাস খাওয়াতে হবেনা।😏
--- জু হুকুম ম্যাম। এবার চলেন। বিকেলে আবার আরেকটা ডেটিং আছে।😌
--- তবেরে তারেক্কা, কোন মাইয়্যার লগে টাংকি মারবি?😡 ঘুষি মেরে নাকসা ফাটিয়ে দেবোনা ঐ মেয়ের।
--- ম্যাম এইটা পাবলিক প্লেস, কলার ছাড়েন। এমনিতেই আসছেন ২ ঘন্টা লেটে তারপর আবার মারামারিও করছেন। এই চিকনা চাকনা দেহে এতো শক্তি কই রাখেন?😫
..
কলার ছেড়ে দিয়ে আফরিন কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো আর তারেকও আর কিছু বললো না। তারেক ভাবলো মেয়েটার অভিমান হয়েছে খুব। বললো ,,,
..
--- বাদাম খাবে?
--- না খাবোনা।😕
--- না খেলে থাক আমি একা একাই খাই। কটা টাকা বাঁচবে। বিকেলে আরেকটা ডেটিংয়ে বাদাম কিনতে লাগবে।😉
--- তারেক এবার কিন্তু সত্যি সত্যি ভালো হবেনা যাও। আচ্ছা বলনাগো আমাকে কেমন লাগছে?😊
--- গ্রামে যেতে চাচ্ছিলাম কাকতাড়ুয়ার সাথে সেলফি তুলতে। সেটা ঢাকাতেই তুলতে পারবো ভেবে, মনে মনে তোমাকে ধন্যবাদ দিতে ইচ্ছে করছে।😜
--- কি, আমি কাকতাড়ুয়া? সব বুঝেছি এখন, আমাকে আর ভালো লাগেনা তোমার। আমি পুরনো হয়ে গেছি তাইতো?😒
--- আরে পাগলি আমিতো মজা করছি। তুমি এতো সিরিয়াসলি নাও কেন?😁
--- লাগবে না তোমার বাহানা। আমি চিকন বলে, তুমি আমাকে কাকতাড়ুয়া বলেছো। তুমি সবসময় আমাকে নিয়ে "ইনসিলাট" করো।😔
--- আরে ইনসিলাট নাতো ইনসাল্ট (Insult) করছি।😉
--- আবারো সত্যি সত্যি তুমি আমায় ইনসাল্ট করলে। আমি চলে যাবো। থাকবোনা আর তোমার কাছে।😟
..
আফরিন চলে যাওয়ার জন্য উঠে দাড়ালো। চোঁখজোড়া কেমন যে রক্তিম বর্ণধারণ করে আছে। মনে হচ্ছে এই বুঝি উঠে হন হন করে হাটা শুরু করবে। অতঃপর আফরিনের কোলে মাথা রেখে তারেক বললো ,,,
..
--- চলেই যখন যাবে তখন মাথা থেকে কয়েকটা পাঁকা চুল তুলে দিয়ে যাও।😜
--- পারবোনা আমি। ঢং দেখে বাঁচিনা বুইড়া দামড়ার।
--- দাও না। টুনটুনি বউ বইলা ডাকমুতো।😍
--- তাহলে আমার সাথে আর জগড়া করবেনাতো?😕
--- তোমার সাথে জগড়া করবোনাতো তোমার বান্ধবি তামান্নার সাথে করবো?
--- এইযে এখন কিন্তু খোঁচা দিয়ে চোখে গেলে দেবো।
--- চেহারাতো বাচ্চা বাচ্চা, এতো চুল পাকলো কেমনে?😉
--- জানিনাগো। মনে হয় বিয়ের টেনশনে।😁
--- হুমম বুঝেছি। এবার জব টব কিছুতো একটা করো। না হয় দুদিন পর আমার বাচ্চাদের মুখে দাদু ডাক শুনতে হবে।
--- চুপ কর কটকটি।😡
--- কি বললা আমি কটকটি?😡
..
আফরিন রেগে তারেককে অনেক কিল ঘুষি দিলো ,,,
..
--- ও মাগো ছাড়ো। উম্মাহ আমার টুনটুনি বউটা উম্মাহ।😘
--- জড়িয়ে ধরো।😕
--- আচ্ছা। জোড়ে চেপে ধরবা না আবার। তাইলে আমার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে।😉
--- আবার?? এইবার মার খাও।😡
-

- ও মাগো,,,ওওওও ছাড়ো।😆

যেখানে থাকো, ভালো থেকো।---

তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আমি জানি না তুমি আমাকে কোনো দিনও ভালোবাসবে কি না। তবে আমি তোমাকে শুধু ভালোবেসে যাব। আমি শুধু তোমাকে ভালোবাসি বিনিময়ে শুধু ভালোবাসা চাই আর কিছুই না। প্রতি রাতে তোমার সঙ্গে কথা বলার জন্য মন ছটফট করে। কিন্তু তুমি আর আগের সিম ব্যবহার করো না। নতুন কোনো ফোন নম্বর জানি না তোমার। আমি সত্যি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। জানি না তোমায় পাব কি না। যেখানে থাকো, ভালো থেকো।---